বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ০২:৫৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশি পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কবৃদ্ধি, ভারত-পাকিস্তানের চেয়েও বেশি | যশোর জার্নাল অভয়নগরে ঈদ মেলায় ফুচকা খেয়ে অসুস্থতা: দোকানি গ্রেফতার | যশোর জার্নাল সাংবাদিক সাগর-রুনি হত্যা: বিচারের অপেক্ষায় এক যুগ | যশোর জার্নাল নরসিংদীতে গণপিটুনির প্রতিবাদ করায় দুই ভাইকে হত্যা | যশোর জার্নাল যশোরে ঈদের দিন সংঘর্ষে যুবক নিহত, আহত চারজন | যশোর জার্নাল যশোরে যুবকের লাশ উদ্ধার: পাশে মোটরসাইকেল ও কাঠের টুকরা |যশোর জার্নাল যশোরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার | যশোর জার্নাল সড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সাথে ইফতার করলেন পুলিশ সুপার যশোর | যশোর জার্নাল যশোরে শিশু অপহরণের মূলহোতা আটক, মুক্তিপণের টাকা উদ্ধার | যশোর জার্নাল নিহত পুলিশ সদস্যদের পরিবারকে ঈদ উপহার দিলেন যশোর জেলা পুলিশ | যশোর জার্নাল

সাইবার বুলিয়িং কি?

“সাইবার বুলিয়িং সম্পর্কে আপনারা কী জানতে চান?”
বিশ্বজুড়ে তরুণদের মাঝে বিভিন্ন মতামত পাওয়া গেছে এবং এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা হাজার রকমের প্রতিক্রিয়া খুজে পেয়েছি।

সাইবার বুলিয়িং এর শিকার বেক্তি সামাজিক, পারিবারিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন হয়ে আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে

আমরা ইউনিসেফের বিশেষজ্ঞ এবং আন্তর্জাতিক সাইবার বুলিয়িং ও শিশু সুরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করে প্রশ্নের উত্তর দিতে ও অনলাইন বুলিং প্রতিরোধের উপায়গুলো সম্পর্কে কিশোর-কিশোরীদেরকে পরামর্শ দিতে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টুইটারের সাথে জোটবদ্ধ পর্যালোচনা করে দেখেছি।

আমি আসিফ সেতু,আজকে আলোচনা করবো সাইবার বুলিয়িং সম্বন্ধে,

এবার মূল কথায় আসা যাক….

সাইবার বুলিয়িং কী?

ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে হয়রানি করার নামই সাইবার বুলিয়িং।এটি ডিজিটাল পদ্ধতির সোসিয়াল মিডিয়া, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম, গেমিং প্ল্যাটফর্ম এবং মোবাইল ফোনে ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে যাদেরকে টার্গেট করা হয় তাদেরকে ভয় দেখানো, রাগিয়ে দেওয়া, লজ্জা দেওয়া বা বিব্রত করার জন্য বার বার এরূপ আচরণ করা হয়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়:

সামাজিক মাধ্যমে কারো সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া বা বিব্রতকর অথবা অবমাননাকর ছবি পোস্ট করা তাকে হেয় প্রতিপন্ন করা,তাকে লজ্জার দেওয়ার মতো ডিজিটাল পদ্ধতিগতভাবে সর্বোচ্চ হয়রানির স্বীকার করা।

মেসেজিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ক্ষতিকর মেসেজ দেওয়া বা হুমকি দেওয়া।এমনকি একের পর এক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।
অন্যের ছদ্মবেশ ধারণ করে (fake identity or fake username) তার সম্পর্কে যৌক্তিক ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, বিষয়বস্তুর কিছু অংশ সত্য এবং অধিকাংশই মিথ্যা বা ভুল তথ্য সংযুক্ত করে এক বা একাধিক জনকে ম্যাসেজ পাঠানো।এক পর্যায়ে ডিজিটাল যোগাযোগ মাধ্যমে বহুল আলোচিত অথবা ভাইরাল হয়ে যায়।

মুখোমুখি বুলিয়িং এবং সাইবার বুলিয়িংঃ

মুখোমুখি বুলিয়িং এবং সাইবার বুলিয়িং প্রায়শই একে অপরের পাশাপাশি ঘটতে পারে। তবে, সাইবার বুলিয়িং একটি ডিজিটাল পদচিহ্ন রেখে যায়। এই ডিজিটাল পদচিহ্ন এমন একটি রেকর্ড যা কার্যকর প্রমাণ হিসাবে কাজ করতে পারে এবং অপব্যবহার বন্ধে সহায়তা করতে প্রমাণ সরবরাহ করতে পারে।
বর্তমান সময়ে সাইবার বুলিয়িং কথাটি প্রায় শোনা যাচ্ছে, ডিজিটাল পদ্ধতিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক,ইন্সটাগ্রাম এ ফেক অ্যাকাউন্ট ফেক ইউজার নেম ব্যাবহার করেই মূলত কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে বুলিয়িং এর শিকার হতে বাধ্য করা হচ্ছে যা সামাজিক বারিকভাবে মান সম্মান,সুনাম নষ্ট হচ্ছে,

তবে ইদানিং কিছু মানুষ নিজেকে ভাইরাল করার জন্য বোলিং এর দ্বারস্থ হচ্ছে।
সর্বোপরি এটা বলা যায় বুলিয়িং একটি সামাজিক ব্যভিচার যা আপনার আত্মসম্মান,আত্মবিশ্বাস,ব্যক্তিত্ব ধ্বংসের সর্বোচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে পারে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত